অধ্যায় আটাশি: প্রতি সেকেন্ডে এক সেন্টিমিটার
তোমার মতো এক পুলিশ কি সত্যিই এমন কথা বলতে পারে?
এই রকম অপমান শুনে আমারও রক্ত গরম হয়ে যাচ্ছে।
দেখা যাচ্ছে, ওই দুই মেয়ের সৌন্দর্য তোমার সহ্য হচ্ছে না।
তুমি নিজে অপমানিত বোধ করছ, তাই ইচ্ছে করে আমাদের ফাঁসাতে চাইছ, তাই তো?
আরও বলছি, তোমার আসল সমস্যা ওখানেই।
দেখতে বাহাদুর, ভেতরে পুরো ফাঁপা।
এমন লোকদের আমি বহু দেখেছি—ক্ষমতা নেই, কিন্তু মুখে দাপটের শেষ নেই।
তুমি যদি সত্যিই মানুষ হতে, তাহলে এভাবে ঝাঁপিয়ে পড়তে না।
কিন্তু আফসোস, তুমি তা নও।
মেয়েটি আর নিজেকে সামলাতে পারল না।
এক ঝটকায় সে লোকটিকে মাটিতে আছড়ে ফেলে দিল।
পুলিশের লোকগুলো হতভম্ব হয়ে গেল, আর পরক্ষণেই ক্ষোভে ফেটে পড়ল।
ধরো ওকে!
হাতকড়া পরাও!
সবাইকে নিয়ে চলো!
কিন্তু সেই মুহূর্তে অন্য দুই তরুণীও আর চুপ রইল না।
ঘরের ভেতর যেন হঠাৎই উত্তেজনার ঝড় উঠল।
আর যে লোকটি এতক্ষণ মুখে এত বড় বড় কথা বলছিল, সে এখন মাটিতে লুটিয়ে পড়ে গেছে।
এমন দৃশ্য দেখে আশপাশের মানুষও থমকে গেল।
কারও মুখে বিস্ময়, কারও চোখে ভয়, কারও মনে গোপন আনন্দ।
আর যে যুবকটি শুরুতে নিস্পৃহ ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে ছিল, সে ঠাণ্ডা হাসি হেসে চারপাশে একবার তাকাল।
এই তো, এবার মজাটা শুরু হয়েছে।